০৯:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জে আটিগ্রাম  কৃষিজমির মাটি  কাটার অভিযোগ উঠেছে সোহেল মুন্সির বিরুদ্ধে

মানিকগঞ্জ জেলার আটিগ্রামচক এলাকায় সোহেল মুন্সির নেতৃত্বে কৃষিজমির উর্বর মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করে আসছে। এতে করে এলাকার কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে, যা জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক।

ভুক্তভোগী কৃষকদের ভাষ্য, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের বেলা ও গভীর রাতেও ট্রাকভর্তি করে মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে জমি নিচু হয়ে পড়ছে এবং ভবিষ্যতে চাষাবাদ কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। অনেক কৃষক ইতোমধ্যেই জমিতে পানি জমে থাকা ও ফসল নষ্ট হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মানিকগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিক্তা খাতুন বলেন, “আমরা অভিযানে যাওয়ার আগেই অভিযুক্তরা খবর পেয়ে সরে পড়ে। স্থানীয়রা যদি ঘটনাস্থলে অপরাধীদের আটক রেখে আমাদের অবহিত করেন, তাহলে আমরা দ্রুত গিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত টহল, গোপন তথ্যভিত্তিক অভিযান এবং অবৈধ মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন জব্দ না করলে এই অপরাধ বন্ধ হবে না। তারা দ্রুত মামলা দায়ের ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, কৃষিজমির উর্বর মাটি কাটা পরিবেশ ও কৃষি সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মাটির গুণাগুণ নষ্ট করে, পানিধারণ ক্ষমতা কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জাতীয় স্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি উঠেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

মানিকগঞ্জে আটিগ্রাম  কৃষিজমির মাটি  কাটার অভিযোগ উঠেছে সোহেল মুন্সির বিরুদ্ধে

Update Time : ০৮:৪৬:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মানিকগঞ্জ জেলার আটিগ্রামচক এলাকায় সোহেল মুন্সির নেতৃত্বে কৃষিজমির উর্বর মাটি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করে আসছে। এতে করে এলাকার কৃষি উৎপাদন মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে, যা জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগজনক।

ভুক্তভোগী কৃষকদের ভাষ্য, প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিনের বেলা ও গভীর রাতেও ট্রাকভর্তি করে মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে জমি নিচু হয়ে পড়ছে এবং ভবিষ্যতে চাষাবাদ কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। অনেক কৃষক ইতোমধ্যেই জমিতে পানি জমে থাকা ও ফসল নষ্ট হওয়ার অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে মানিকগঞ্জের সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিক্তা খাতুন বলেন, “আমরা অভিযানে যাওয়ার আগেই অভিযুক্তরা খবর পেয়ে সরে পড়ে। স্থানীয়রা যদি ঘটনাস্থলে অপরাধীদের আটক রেখে আমাদের অবহিত করেন, তাহলে আমরা দ্রুত গিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।”

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত টহল, গোপন তথ্যভিত্তিক অভিযান এবং অবৈধ মাটি পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহন জব্দ না করলে এই অপরাধ বন্ধ হবে না। তারা দ্রুত মামলা দায়ের ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, কৃষিজমির উর্বর মাটি কাটা পরিবেশ ও কৃষি সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড মাটির গুণাগুণ নষ্ট করে, পানিধারণ ক্ষমতা কমায় এবং দীর্ঘমেয়াদে দেশের খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জাতীয় স্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর অভিযান ও নজরদারি জোরদারের দাবি উঠেছে।