০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জে  আতার  ভিত্তিহীন অভিযোগের ভরাডুবি

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতার করা অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ। কিছুক্ষণ আগে ঘোষিত রায়ে আপিল বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে—আফরোজা খানম রিতার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

রায়ে আরও বলা হয়, অভিযোগের পক্ষে আতাউর রহমান আতা কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে আফরোজা খানম রিতার প্রার্থিতা সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকছে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণে তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো আইনগত বাধা নেই

এই রায়ের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণ হলো—নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়ে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আতাউর রহমান আতার এই আপিল ছিল ভোটের মাঠে সুবিধা আদায়ের জন্য করা একটি হতাশাজনক কৌশল, যা শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “বারবার মিথ্যা অভিযোগ তুলে একজন জনপ্রিয় নারী নেত্রীকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের এই রায় ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ খুলে দিয়েছে।”

অন্যদিকে, রায় ঘোষণার পর আফরোজা খানম রিতার সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। তারা বলেন, জনগণের আস্থা ও আইনের শাসনের কাছে মিথ্যা অভিযোগ কখনোই টিকতে পারে না।

এই রায়ের মাধ্যমে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠে বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার অবস্থান আরও শক্তিশালী হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের আজকের এই রায় ন্যায়বিচার, সত্য ও গণতন্ত্রের পক্ষে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত। আমার বিরুদ্ধে যে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র—আজকের রায়ের মধ্য দিয়ে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে।

আমি শুরু থেকেই বলেছি, রাজনীতিতে টিকে থাকতে না পেরে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু জনগণের আস্থা ও আইনের শাসনের কাছে কোনো মিথ্যা অভিযোগ টিকতে পারে না—আজ সেটিই আবারও প্রতিষ্ঠিত হলো।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নির্বাহী কমিটির সাবেক  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ বলেন, আতাউর রহমান আতা বিএনপির নাম ও সমর্থনকে পুঁজি করে ইতিপূর্বে দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দলের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করলেও তার ব্যক্তিগত স্বার্থকে চারিতার্থ করার জন্য সুযোগ পেলেই তিনি দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক। যা মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির অভিজ্ঞ ও সচেতন নেতৃবৃন্দ বিষয়টি ইতোমধ্যেই স্পষ্টভাবে অনুধাবন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি একটি আদর্শভিত্তিক ও ত্যাগী রাজনৈতিক সংগঠন। এখানে ষড়যন্ত্র, সুবিধাবাদ কিংবা দ্বিমুখী রাজনীতির কোনো স্থান নেই। দলের শৃঙ্খলা, আদর্শ ও জনগণের আস্থার প্রশ্নে বিএনপি কখনো আপস করবে না।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং মানিকগঞ্জ ৩ আসনের এমপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সর্বস্তরের জনগণ, বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই—যারা এই কঠিন সময়ে আমার পাশে থেকেছেন।

আমি বিশ্বাস করি, এই রায়ের মাধ্যমে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার আরও শক্তিশালী হলো। আগামী দিনে জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমি আরও দৃঢ়ভাবে মাঠে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

মানিকগঞ্জে  আতার  ভিত্তিহীন অভিযোগের ভরাডুবি

Update Time : ০৩:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতার করা অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগ। কিছুক্ষণ আগে ঘোষিত রায়ে আপিল বিভাগ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে—আফরোজা খানম রিতার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

রায়ে আরও বলা হয়, অভিযোগের পক্ষে আতাউর রহমান আতা কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে আফরোজা খানম রিতার প্রার্থিতা সম্পূর্ণভাবে বহাল থাকছে এবং নির্বাচনে অংশগ্রহণে তাঁর বিরুদ্ধে আর কোনো আইনগত বাধা নেই

এই রায়ের মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণ হলো—নির্বাচনী মাঠে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়ে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আতাউর রহমান আতার এই আপিল ছিল ভোটের মাঠে সুবিধা আদায়ের জন্য করা একটি হতাশাজনক কৌশল, যা শেষ পর্যন্ত মুখ থুবড়ে পড়েছে।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “বারবার মিথ্যা অভিযোগ তুলে একজন জনপ্রিয় নারী নেত্রীকে হেয় করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের এই রায় ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ খুলে দিয়েছে।”

অন্যদিকে, রায় ঘোষণার পর আফরোজা খানম রিতার সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। তারা বলেন, জনগণের আস্থা ও আইনের শাসনের কাছে মিথ্যা অভিযোগ কখনোই টিকতে পারে না।

এই রায়ের মাধ্যমে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের নির্বাচনী মাঠে বিএনপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতার অবস্থান আরও শক্তিশালী হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্বাচন কমিশনের আপিল বিভাগের আজকের এই রায় ন্যায়বিচার, সত্য ও গণতন্ত্রের পক্ষে একটি ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত। আমার বিরুদ্ধে যে ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা যে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র—আজকের রায়ের মধ্য দিয়ে সেটিই প্রমাণিত হয়েছে।

আমি শুরু থেকেই বলেছি, রাজনীতিতে টিকে থাকতে না পেরে একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু জনগণের আস্থা ও আইনের শাসনের কাছে কোনো মিথ্যা অভিযোগ টিকতে পারে না—আজ সেটিই আবারও প্রতিষ্ঠিত হলো।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নির্বাহী কমিটির সাবেক  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ বলেন, আতাউর রহমান আতা বিএনপির নাম ও সমর্থনকে পুঁজি করে ইতিপূর্বে দুইবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি দলের কাছ থেকে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করলেও তার ব্যক্তিগত স্বার্থকে চারিতার্থ করার জন্য সুযোগ পেলেই তিনি দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনৈতিক। যা মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির অভিজ্ঞ ও সচেতন নেতৃবৃন্দ বিষয়টি ইতোমধ্যেই স্পষ্টভাবে অনুধাবন করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বিএনপি একটি আদর্শভিত্তিক ও ত্যাগী রাজনৈতিক সংগঠন। এখানে ষড়যন্ত্র, সুবিধাবাদ কিংবা দ্বিমুখী রাজনীতির কোনো স্থান নেই। দলের শৃঙ্খলা, আদর্শ ও জনগণের আস্থার প্রশ্নে বিএনপি কখনো আপস করবে না।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এবং মানিকগঞ্জ ৩ আসনের এমপি প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা বলেন, আমি নির্বাচন কমিশনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যারা নিরপেক্ষভাবে বিষয়টি পর্যালোচনা করে ন্যায়সঙ্গত রায় দিয়েছেন। পাশাপাশি মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সর্বস্তরের জনগণ, বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই—যারা এই কঠিন সময়ে আমার পাশে থেকেছেন।

আমি বিশ্বাস করি, এই রায়ের মাধ্যমে মানিকগঞ্জ-৩ আসনে গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার আরও শক্তিশালী হলো। আগামী দিনে জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার ও দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষায় আমি আরও দৃঢ়ভাবে মাঠে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।”