১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বাড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম অ্যাডিশনের
অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা, আওয়ামী লীগের দোসর, নিজ ক্ষমতা বলে পকেট কমিটি গঠনসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১২টার দিকে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে ব্যানার হাতে শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা জড়ো হন। এরপর তারা জাফরগঞ্জ-উথলি আঞ্চলিক সড়কের বাড়াদিয়া বাজারে অপসারণ দাবিতে নানা স্লোগানে মানববন্ধন করেন। এ সময় শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য দেন। মানববন্ধন শেষে বাজারের ভেতর বিক্ষোভ মিছিল করেছেন তারা।

শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা মানববন্ধনে বক্তব্যকালে প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির উল্লেখযোগ্য খাতগুলো নিয়ে বলেন,‘ প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের নিযুক্ত কর্মচারীদের পারিবারিক কাজে বাধ্য করাসহ এমপিও বেতনে অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভর্তি ফি, সেশন ফি, বেতন ও পরীক্ষা ফি আদায়, বিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মচারি নিয়োগ বাণিজ্য, এমপিও ভূক্তকরণের জন্য ঘুষ, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের নামে অর্থ লুটপাট, বিদ্যালয়ের মার্কেট নির্মাণ ও ভাড়ার অর্থ গড়মিল, ঘর ভাড়ার কথা বলে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু তাকে ঘর ভাড়া দেননি, টাকাও ফেরত দেননি। আজ দু’বছর ধরে তাকে নানা উজিলায় কালক্ষেপণ করছেন। বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবে অতিরিক্ত ও কাল্পনিক ভাউচারে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে কৃর্তপক্ষকে দ্রুত তাকে অপসারণ করাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়।

এ ব্যাপারে জানতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বাড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম অ্যাডিশন কথা বলতে রাজি হননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

বাড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি

Update Time : ১১:২৫:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৪

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বাড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম অ্যাডিশনের
অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ বাণিজ্য, স্বেচ্ছাচারিতা, আওয়ামী লীগের দোসর, নিজ ক্ষমতা বলে পকেট কমিটি গঠনসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা এই বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানায়, দুপুর ১২টার দিকে প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে ব্যানার হাতে শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা জড়ো হন। এরপর তারা জাফরগঞ্জ-উথলি আঞ্চলিক সড়কের বাড়াদিয়া বাজারে অপসারণ দাবিতে নানা স্লোগানে মানববন্ধন করেন। এ সময় শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য দেন। মানববন্ধন শেষে বাজারের ভেতর বিক্ষোভ মিছিল করেছেন তারা।

শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগিরা মানববন্ধনে বক্তব্যকালে প্রধান শিক্ষকের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির উল্লেখযোগ্য খাতগুলো নিয়ে বলেন,‘ প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের নিযুক্ত কর্মচারীদের পারিবারিক কাজে বাধ্য করাসহ এমপিও বেতনে অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভর্তি ফি, সেশন ফি, বেতন ও পরীক্ষা ফি আদায়, বিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মচারি নিয়োগ বাণিজ্য, এমপিও ভূক্তকরণের জন্য ঘুষ, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের নামে অর্থ লুটপাট, বিদ্যালয়ের মার্কেট নির্মাণ ও ভাড়ার অর্থ গড়মিল, ঘর ভাড়ার কথা বলে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন। কিন্তু তাকে ঘর ভাড়া দেননি, টাকাও ফেরত দেননি। আজ দু’বছর ধরে তাকে নানা উজিলায় কালক্ষেপণ করছেন। বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবে অতিরিক্ত ও কাল্পনিক ভাউচারে লাখ লাখ হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির সুষ্ঠু তদন্ত করে কৃর্তপক্ষকে দ্রুত তাকে অপসারণ করাসহ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়।

এ ব্যাপারে জানতে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বাড়াদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম অ্যাডিশন কথা বলতে রাজি হননি।