০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

হরিরামপুরে ভেজাল  গুড় তৈরির দায়ে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরির দায়ে কোকিল প্রামাণিক নামের এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঝিটকা–গোপীনাথপুর–মোয়াজ্জেম পাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে একটি কারখানায় ভেজাল খেজুরের গুড় প্রস্তুতের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি ৫ কেজি চিনির সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ কেজি ঝোলা গুড় ও পানি মিশিয়ে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করছিলেন। অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত কোকিল প্রামাণিককে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত না হওয়ার জন্য তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

হরিরামপুরে ভেজাল  গুড় তৈরির দায়ে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড

Update Time : ১০:০৫:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলায় ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরির দায়ে কোকিল প্রামাণিক নামের এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার ঝিটকা–গোপীনাথপুর–মোয়াজ্জেম পাড়া এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানকালে একটি কারখানায় ভেজাল খেজুরের গুড় প্রস্তুতের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল অভিযানের নেতৃত্ব দেন।

এ বিষয়ে সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি ৫ কেজি চিনির সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ কেজি ঝোলা গুড় ও পানি মিশিয়ে ভেজাল খেজুরের গুড় তৈরি করছিলেন। অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী অভিযুক্ত কোকিল প্রামাণিককে ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ভেজাল গুড় তৈরির কারখানাটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত না হওয়ার জন্য তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর ভেজাল খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।