মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার কুস্তা ইছামতি নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি সেতুর পাইলিং কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী শাহিনুজ্জামান এবং ঠিকাদার পিন্টু সাহার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। তবে শুরু থেকেই নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এলাকাবাসীর দাবি, সেতুর পাইলিংয়ের জন্য নির্ধারিত মানসম্পন্ন পাথরের পরিবর্তে ইটের খোয়া মিশিয়ে কাজ করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে সেতুর স্থায়িত্ব নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্তদের যথাযথ তদারকি না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করে কাজ চালিয়ে। এতে সরকারি অর্থের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি জননিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “আমরা শুরু থেকেই বিষয়টি লক্ষ্য করছি। ভালো মানের পাথরের পরিবর্তে নিম্নমানের পাথর ও ইটের খোয়া ব্যবহার করে। যাহার কারনে সেতুটি টেকসই হবে না।”
ঠিকাদার পিন্টু সাহা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা প্রকল্পের নিয়ম মেনেই কাজ করছি। নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ সঠিক নয়।”
এদিকে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে নির্মাণকাজের মান নিশ্চিত করা যায় এবং ভবিষ্যতে কোনো দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ঘিওর উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী শাহিনুজ্জামান বলেন, “নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। আমার বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ এনেছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ভিত্তিহীন ।”
বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা সরকারি প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী জানান, আমার যোগদানের পূর্বেই কুস্তা ব্রিজের পাইলিং এর কাজ শেষ হয়েছে। আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।
এ বিষয়ে জেলার সিনিয়র প্রকৌশলী হুমায়ুন কবীর জানান, আমি এ বিষয়ে কিছু জানিনা এবং কি কিছু বলতেও পারবোনা।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 














