০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রথমবার সরকারি স্বীকৃতিতে দেশপ্রেমিক তরুণ গঠনে বিএনসিসির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

স্টাফ রিপোর্টার :

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বিএনসিসি ডে’ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের পরিপত্রের মাধ্যমে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বিএনসিসির উত্তরোত্তর অগ্রগতি ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিএনসিসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ আল মসউদ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করেন।

তার নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনসিসির সকল অফিসার, সামরিক প্রশিক্ষক ও ক্যাডেটরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ছিল শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য প্রতিফলন।

বিএনসিসি দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সম্মানিত সামরিক উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা সচিব এবং মহাপরিচালক পৃথক বাণী প্রদান করেন। বাণীতে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিএনসিসির ভূমিকার প্রশংসা করা হয়।

উল্লেখ্য, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ ‘টোটাল পিপলস ওয়ার’ ধারণার অংশ হিসেবে বিএনসিসি প্রতিষ্ঠা করেন। এর লক্ষ্য ছিল তরুণ সমাজকে জাতীয় প্রয়োজনে সম্পৃক্ত করা এবং দুর্যোগ বা সংকটকালে কার্যকর ভূমিকা পালনে প্রস্তুত রাখা।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএনসিসি দেশের তরুণ প্রজন্মকে সুশৃঙ্খল, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

প্রথমবার সরকারি স্বীকৃতিতে দেশপ্রেমিক তরুণ গঠনে বিএনসিসির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

Update Time : ০৯:২৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-এর ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘বিএনসিসি ডে’ যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারের পরিপত্রের মাধ্যমে দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপিত হয়।

দিবসটি উপলক্ষে ভোরে ফজরের নামাজ শেষে বিএনসিসির উত্তরোত্তর অগ্রগতি ও দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিএনসিসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু সাঈদ আল মসউদ জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করেন।

তার নেতৃত্বে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিএনসিসির সকল অফিসার, সামরিক প্রশিক্ষক ও ক্যাডেটরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ছিল শৃঙ্খলা, দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য প্রতিফলন।

বিএনসিসি দিবস উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সম্মানিত সামরিক উপদেষ্টা, প্রতিরক্ষা সচিব এবং মহাপরিচালক পৃথক বাণী প্রদান করেন। বাণীতে তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে বিএনসিসির ভূমিকার প্রশংসা করা হয়।

উল্লেখ্য, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ ‘টোটাল পিপলস ওয়ার’ ধারণার অংশ হিসেবে বিএনসিসি প্রতিষ্ঠা করেন। এর লক্ষ্য ছিল তরুণ সমাজকে জাতীয় প্রয়োজনে সম্পৃক্ত করা এবং দুর্যোগ বা সংকটকালে কার্যকর ভূমিকা পালনে প্রস্তুত রাখা।

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিএনসিসি দেশের তরুণ প্রজন্মকে সুশৃঙ্খল, দায়িত্বশীল ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।