০৬:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মানিকগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুট

মানিকগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুট


মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কোকরহাটি এলাকায়  চাদা না পেয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মজলিশ খান (৫৭)। তিনি কোকরহাটি গ্রামের মৃত সাহাদত খানের ছেলে।

অভিযোগে জানা যায়, কোকরহাটি মৌজাস্থিত নয়ারহাট বাজারে একটি দোকানঘর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মজলিশ খানের সঙ্গে একই এলাকার লাভলী আক্তার, ফয়সাল মোল্লা, মিতু বেগম, রিয়া আক্তার, মাসুদ বিশ্বাস, তানভীর রহমান বুলু ও চাঁন চৌধুরী গংদের বিরোধ চলে আসছে।

অভিযোগকারী মজলিশ খান জানান, বিবাদীরা নিয়মিতভাবে দোকান ঘর ভাঙার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিবাদীপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে বিবাদীরা তার দোকানের জন্য রাখা তিন হাজার ইট চুরি করে নিয়ে যায়।

গত ২৩ অক্টোবর দুপুরে তানভীর রহমান বুলু  তার কাছে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে দোকান চালাতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন তিনি।

এরপর দিবাগত রাত ১টার দিকে বিবাদীপক্ষের প্রায় ২৫-৩০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানঘরে হামলা চালায়। তারা দোকানের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে খুঁটি কেটে দোকানঘরটি রাস্তায় ফেলে দেয়। এতে প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন মজলিশ খান। হামলাকারীরা দোকানের টিন ও কিছু অংশ চুরি করে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মজলিশ খান বলেন, “ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। বিবাদীরা যেকোনো সময় আমার ও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালাতে পারে। আমরা ভয় ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

এ বিষয়ে হরিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ছুটিতে আছি বিষয়টি আমার জানা নেই।”

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

মানিকগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুট

মানিকগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুট

Update Time : ১১:০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫


মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কোকরহাটি এলাকায়  চাদা না পেয়ে দোকান ঘর ভাঙচুর ও লুটের অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয় মজলিশ খান (৫৭)। তিনি কোকরহাটি গ্রামের মৃত সাহাদত খানের ছেলে।

অভিযোগে জানা যায়, কোকরহাটি মৌজাস্থিত নয়ারহাট বাজারে একটি দোকানঘর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মজলিশ খানের সঙ্গে একই এলাকার লাভলী আক্তার, ফয়সাল মোল্লা, মিতু বেগম, রিয়া আক্তার, মাসুদ বিশ্বাস, তানভীর রহমান বুলু ও চাঁন চৌধুরী গংদের বিরোধ চলে আসছে।

অভিযোগকারী মজলিশ খান জানান, বিবাদীরা নিয়মিতভাবে দোকান ঘর ভাঙার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মীমাংসার চেষ্টা করলেও বিবাদীপক্ষ তাতে সাড়া দেয়নি। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক মাস আগে বিবাদীরা তার দোকানের জন্য রাখা তিন হাজার ইট চুরি করে নিয়ে যায়।

গত ২৩ অক্টোবর দুপুরে তানভীর রহমান বুলু  তার কাছে তিন লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে দোকান চালাতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেন তিনি।

এরপর দিবাগত রাত ১টার দিকে বিবাদীপক্ষের প্রায় ২৫-৩০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দোকানঘরে হামলা চালায়। তারা দোকানের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে খুঁটি কেটে দোকানঘরটি রাস্তায় ফেলে দেয়। এতে প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন মজলিশ খান। হামলাকারীরা দোকানের টিন ও কিছু অংশ চুরি করে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মজলিশ খান বলেন, “ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ আমাদের কাছে রয়েছে। বিবাদীরা যেকোনো সময় আমার ও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালাতে পারে। আমরা ভয় ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।”

এ বিষয়ে হরিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মজিবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি ছুটিতে আছি বিষয়টি আমার জানা নেই।”