মানিকগঞ্জে একদিনে চারটি উপজেলা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত চারজন এবং রাতে আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া মৃতদের মধ্যে দুইজন সদর উপজেলার, ঘিওর, সাটুরিয়া ও সিংগাইর উপজেলার তিন জন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার দিঘি ইউনিয়নের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মৃত ব্যক্তি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।
অপরদিকে, দুপুরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯–এর মাধ্যমে খবর পেয়ে সদর উপজেলার পশ্চিম দাশড়া এলাকায় পৌর ভূমি অফিসের পেছনে একটি বহুতল ভবনের তৃতীয় তলা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় আবু হানিফ (৩৫) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আবু হানিফ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আবুল বসরের ছেলে। তার পরিবার জানায়, বিদেশে পাঠানোর কথা বলে বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ফেরত না দেওয়ায় মানসিক চাপে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
সিংগাইর উপজেলার দেওলি গ্রামে রোজিনা আক্তার (৩০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ধারণা করছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন।
এদিকে, ঘিওর উপজেলার দেওভোগ গ্রামে সোনা মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
অন্যদিকে, সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া এলাকায় একটি কারখানায় কাজ করার সময় ছাদ থেকে ড্রাম পড়ে গুরুতর আহত হন শ্রমিক রাসেল মাহমুদ (২৮)। রোববার রাতে তাকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রাসেল জামালপুর সদর উপজেলার রহুল্লী গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে।মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, “মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনার বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।”
মো: জাহিদ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার : 















