১০:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬

হারুনুর রশিদ খান মুন্নুর উন্নয়ন ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে : আলী আশরাফ


 মানিকগঞ্জে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা হারুনুর রশিদ খান মুন্নুর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথ্যবিকৃত অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ।

বিগত কয়েক দিন ধরে “Manikganj 1800” নামের একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকে বারবার হারুনুর রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া আসনে ১০ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন—এমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আলী আশরাফ বলেন,
“এই অপপ্রচার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। হারুনুর রশিদ খান মুন্নু সাহেব মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন মাত্র ৫ বছর—২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি হরিরামপুর–শিবালয় সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতিহাস বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,
“তিনি ছিলেন হরিরামপুরের মানুষ। চোখের সামনে দেখেছি—এমন কোনো স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, মাদরাসা, এতিমখানা নেই যেখানে হারুনুর রশিদ খান মুন্নু কাকার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এটা কাগুজে উন্নয়ন নয়, বাস্তব উন্নয়ন।”

যুবদল নেতা আলী আশরাফ উল্লেখ করেন, পদ্মা নদীর দুর্গম চরে পাটগ্রাম গ্রামে সরকারি অর্থায়নে ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বলড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে নিজস্ব অর্থায়নে ভূমিহীনদের জন্য “রিতা আবাসন প্রকল্প” প্রতিষ্ঠা—এসব মানবিক উদ্যোগ আজও এলাকার মানুষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি বলেন,
“২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে হারুনুর রশিদ খান মুন্নু কাকার উদ্যোগে আন্ধারমানিক থেকে দাসকান্দি–বয়ড়া পর্যন্ত হরিরামপুর উপজেলার প্রথম ও একমাত্র স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেই বেরিবাঁধ আজও হরিরামপুরকে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করে চলেছে। এটি আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জীবন্ত সাক্ষী।”

আলী আশরাফ আরও বলেন,
“যারা আজ বট বাহিনী ব্যবহার করে ফেসবুক পেজ খুলে মিথ্যাচার করছে, তাদের বলব—সমালোচনা করতে হলে তথ্য জেনে করুন। গঠনমূলক সমালোচনায় আপত্তি নেই, কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার জনগণ মেনে নেবে না।”

তিনি অবিলম্বে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ইতিহাস জানার আহ্বান জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সাটুরিয়ায় এতিম শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আটক এক

হারুনুর রশিদ খান মুন্নুর উন্নয়ন ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে : আলী আশরাফ

Update Time : ০৫:০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬


 মানিকগঞ্জে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা হারুনুর রশিদ খান মুন্নুর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও তথ্যবিকৃত অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আশরাফ।

বিগত কয়েক দিন ধরে “Manikganj 1800” নামের একটি ভুয়া ফেসবুক পেজ থেকে বারবার হারুনুর রশিদ খান মুন্নু মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া আসনে ১০ বছর সংসদ সদস্য ছিলেন—এমন মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাঁর উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আলী আশরাফ বলেন,
“এই অপপ্রচার সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। হারুনুর রশিদ খান মুন্নু সাহেব মানিকগঞ্জ সদর ও সাটুরিয়া আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন মাত্র ৫ বছর—২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত। এর আগে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে তিনি হরিরামপুর–শিবালয় সংসদীয় আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ইতিহাস বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,
“তিনি ছিলেন হরিরামপুরের মানুষ। চোখের সামনে দেখেছি—এমন কোনো স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মন্দির, মাদরাসা, এতিমখানা নেই যেখানে হারুনুর রশিদ খান মুন্নু কাকার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এটা কাগুজে উন্নয়ন নয়, বাস্তব উন্নয়ন।”

যুবদল নেতা আলী আশরাফ উল্লেখ করেন, পদ্মা নদীর দুর্গম চরে পাটগ্রাম গ্রামে সরকারি অর্থায়নে ভূমিহীনদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং বলড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে নিজস্ব অর্থায়নে ভূমিহীনদের জন্য “রিতা আবাসন প্রকল্প” প্রতিষ্ঠা—এসব মানবিক উদ্যোগ আজও এলাকার মানুষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে।

তিনি বলেন,
“২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের আমলে হারুনুর রশিদ খান মুন্নু কাকার উদ্যোগে আন্ধারমানিক থেকে দাসকান্দি–বয়ড়া পর্যন্ত হরিরামপুর উপজেলার প্রথম ও একমাত্র স্থায়ী বেরিবাঁধ নির্মাণ করা হয়। সেই বেরিবাঁধ আজও হরিরামপুরকে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করে চলেছে। এটি আমাদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জীবন্ত সাক্ষী।”

আলী আশরাফ আরও বলেন,
“যারা আজ বট বাহিনী ব্যবহার করে ফেসবুক পেজ খুলে মিথ্যাচার করছে, তাদের বলব—সমালোচনা করতে হলে তথ্য জেনে করুন। গঠনমূলক সমালোচনায় আপত্তি নেই, কিন্তু উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচার জনগণ মেনে নেবে না।”

তিনি অবিলম্বে ভুয়া ফেসবুক পেজ ও অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান এবং সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত না হয়ে প্রকৃত ইতিহাস জানার আহ্বান জানান।