০২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের দিকনির্দেশনায় ঘিওরে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঘিওরে ৫ হাজার গাছ রোপণের উদ্যোগ, নেতৃত্বে অ্যাডভোকেট মামুন

দেশব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ১ নং পয়লা ইউনিয়নে ৫ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচির সূচনা করেন পয়লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মামুন মিয়া।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর পয়লা ইউনিয়নের বাসুদেব বাড়ি জামে মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সড়কের পাশে এবং খোলা জায়গায় এসব বনজ ও ফলদ গাছের চারা রোপণ করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ধরনের কর্মসূচি সমাজের অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে। তারা সরকারের সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন।

অ্যাডভোকেট মো: মামুন মিয়া বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দূরদর্শী পদক্ষেপ। গাছ আমাদের বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ

মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমি চাই পয়লা ইউনিয়নকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ইউনিয়নে পরিণত করতে। এ লক্ষ্যে পাঁচ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ রোপণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে পরিচালিত এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের অংশগ্রহণ বাড়লে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

পরিবেশবিদদের ভাষ্য, পরিকল্পিতভাবে দেশীয় বনজ ও ফলদ গাছ রোপণ এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে বায়ুদূষণ কমবে, জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাবে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, গাছকে বাঁচিয়ে রাখার বিষয়েও সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হরিরামপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ৪ জেলের ৭ দিনের কারাদণ্ড।

সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের দিকনির্দেশনায় ঘিওরে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম শুরু

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঘিওরে ৫ হাজার গাছ রোপণের উদ্যোগ, নেতৃত্বে অ্যাডভোকেট মামুন

Update Time : ০৭:১১:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

দেশব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ১ নং পয়লা ইউনিয়নে ৫ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচির সূচনা করেন পয়লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মামুন মিয়া।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর পয়লা ইউনিয়নের বাসুদেব বাড়ি জামে মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

পর্যায়ক্রমে ইউনিয়নের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সড়কের পাশে এবং খোলা জায়গায় এসব বনজ ও ফলদ গাছের চারা রোপণ করা হবে বলে আয়োজকরা জানান।

স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ ধরনের কর্মসূচি সমাজের অন্যদেরও উদ্বুদ্ধ করবে। তারা সরকারের সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নে এমন উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন।

অ্যাডভোকেট মো: মামুন মিয়া বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি দূরদর্শী পদক্ষেপ। গাছ আমাদের বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ

মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করা।”
তিনি আরও বলেন, “আমি চাই পয়লা ইউনিয়নকে একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব ইউনিয়নে পরিণত করতে। এ লক্ষ্যে পাঁচ হাজার বনজ ও ফলদ গাছ রোপণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।”

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে পরিচালিত এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পরিবেশ রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তারা বলেন, সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের অংশগ্রহণ বাড়লে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য আরও সহজ হবে।

পরিবেশবিদদের ভাষ্য, পরিকল্পিতভাবে দেশীয় বনজ ও ফলদ গাছ রোপণ এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা গেলে বায়ুদূষণ কমবে, জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাবে। তাই শুধু গাছ লাগানো নয়, গাছকে বাঁচিয়ে রাখার বিষয়েও সবাইকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে।