মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে খাতা-কলমের হিসাবের সঙ্গে বাস্তব মজুতের বিশাল গড়মিল পাওয়া গেছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী গুদামে ১৩০ টন খাদ্যশস্য থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তার কোনো অস্তিত্ব মেলেনি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭০ লাখ টাকা। এই ঘটনায় খাদ্য গুদামটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের সব খাদ্য গুদামে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বর্তমানে বিশেষ অডিট কার্যক্রম চলছে। এরই অংশ হিসেবে গত বুধবার (২৬শে আগস্ট) দুপুরে ঢাকা থেকে আসা খাদ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল এবং জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা যৌথভাবে ঘিওর খাদ্য গুদাম পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে কর্মকর্তারা দাপ্তরিক নথিপত্র ও হিসাব যাচাই করে দেখেন, খাতার হিসাব অনুযায়ী গুদামে ১১০ টন চাল ও ২০ টন গম মজুত থাকার কথা। তবে বাস্তবে গুদামটি তল্লাশি করে এই বিশাল পরিমাণ খাদ্যশস্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। হিসাবের সঙ্গে বাস্তব মজুতের এই বড় ধরনের অসঙ্গতি ও ঘাটতি ধরা পড়ার পরপরই গুদামটি সাময়িকভাবে সিলগালা করে দেওয়া হয়।
ঘিওর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা ফারহানা আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিশেষ অডিট কার্যক্রম চলমান থাকায় ঊর্ধ্বাতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গুদামটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। সরকারি মালামাল আত্মসাতের এই ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পিযুষ পাল, স্টাফ রিপোর্টার 



















