০২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২ শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ।

পদ্মা-যমুনা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন, ত্রাণ বিতরণে শায়লা কবির

পদ্মা-যমুনা নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো ক্ষতিগ্রস্ত ও দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের এবিজি (ABG) ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানের মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা ইউনিয়নের কল্যাণপুর এলাকায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে বাঁচামারা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের সহধর্মিণী শায়লা কবির।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক আহমেদ দিপু।
এছাড়াও বক্তব্য দেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আব্দুল মতিন মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনিসুর রহমান, বাঁচামারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউনুস আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শায়লা কবির বলেন, “নদীভাঙন এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়। বসতভিটা হারিয়ে সহায়-সম্বলহীন হয়ে পড়া এই প্রান্তিক ও দুস্থ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা গর্বিত। তাদের দুর্ভোগ কমাতে এবং সংকটকালীন মুহূর্তে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতেই বসুন্ধরা গ্রুপের (আনভীর) এবিজি ফাউন্ডেশন ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির চরাঞ্চলের মানুষের স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য নদীশাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। পাশাপাশি কল্যাণপুরে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ এবং স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি ইপিজেড প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।”

ত্রাণ পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এবিজি ফাউন্ডেশন ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, মানবিক সহায়তার পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হরিরামপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ৪ জেলের ৭ দিনের কারাদণ্ড।

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২ শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ।

পদ্মা-যমুনা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন, ত্রাণ বিতরণে শায়লা কবির

Update Time : ০৫:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

পদ্মা-যমুনা নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো ক্ষতিগ্রস্ত ও দুস্থ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের এবিজি (ABG) ফাউন্ডেশন। প্রতিষ্ঠানের মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঁচামারা ইউনিয়নের কল্যাণপুর এলাকায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে বাঁচামারা ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবিরের সহধর্মিণী শায়লা কবির।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক আহমেদ দিপু।
এছাড়াও বক্তব্য দেন দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আব্দুল মতিন মাস্টার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আনিসুর রহমান, বাঁচামারা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউনুস আলী এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শায়লা কবির বলেন, “নদীভাঙন এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকাকে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেয়। বসতভিটা হারিয়ে সহায়-সম্বলহীন হয়ে পড়া এই প্রান্তিক ও দুস্থ মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা গর্বিত। তাদের দুর্ভোগ কমাতে এবং সংকটকালীন মুহূর্তে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতেই বসুন্ধরা গ্রুপের (আনভীর) এবিজি ফাউন্ডেশন ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে আসছে। মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনাদের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির চরাঞ্চলের মানুষের স্থায়ী নিরাপত্তার জন্য নদীশাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন। পাশাপাশি কল্যাণপুরে একটি পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ এবং স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি ইপিজেড প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।”

ত্রাণ পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এবিজি ফাউন্ডেশন ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, মানবিক সহায়তার পাশাপাশি নদীভাঙন রোধে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।