মানিকগঞ্জ জেলা শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকের স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া প্যাথলজি রিপোর্ট তৈরির অপরাধ হাতেনাতে ধরেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এই অপরাধে ‘নিউ হাই কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামের প্রতিষ্ঠানটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এর প্যাথলজি ল্যাবটি সম্পূর্ণ সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার ছবেদ মার্কেটের চতুর্থ তলায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানে এই ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।
ভোক্তা-অধিকার অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির প্যাথলজিস্ট লিটন দাস দীর্ঘদিন ধরে একজন এমবিবিএস চিকিৎসকের (ডা. আশরাফুজ্জামান হামিম) স্বাক্ষর জাল করে রোগীদের মনগড়া ও ভুয়া মেডিকেল রিপোর্ট সরবরাহ করে আসছিলেন। অভিযানের সময় অভিযোগের সত্যতা হাতেনাতে প্রমাণিত হওয়ায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয় এবং ল্যাবটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে নিউ হাই কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক ডা. দেবেশ নিজের অপরাধ স্বীকার করে গণমাধ্যমকে বলেন, “আমাদের এখানে যে অপরাধ হয়েছে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে এমন ভুল আর হবে না।”
সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে এমন সুনির্দিষ্ট জালিয়াতি ও প্রতারণা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। জনস্বার্থে এই ধরণের ভেজাল ও ভুয়া চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযানে জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল সহযোগিতা করেন।
পিযুষ পাল, স্টাফ রিপোর্টার 



















