মানিকগঞ্জ পৌরসভার নওখন্ডা এলাকায় আনিকা (১৫) নামের নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীর রহস্যজনক ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই মৃত্যুর ঘটনায় সাগর নামের এক প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন ও আত্মহত্যার প্ররোচনার সরাসরি অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত আনিকা খাতুন মানিকগঞ্জ পৌরসভার নওখন্ডা এলাকার মো. আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির নিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল। গতকাল বিকেলে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে ঘরের ভেতর ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্বজনেরা। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, সাগর নামের এক প্রবাসী যুবকের সাথে আনিকার পূর্বপরিচয় ছিল। গত কিছু দিন ধরে ওই যুবক আনিকাকে মানসিকভাবে প্রচণ্ড নির্যাতন ও প্ররোচনা দিয়ে আসছিল। সাগরের এই লাগাতার মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরেই আনিকা আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের। আদরের মেয়েকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বাবা-মা ও প্রতিবেশীরা। পুরো নওখন্ডা এলাকায় এখন গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের (Autopsy) জন্য মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আসার পর মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রবাসী যুবকের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে পুলিশের তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।
পিযুষ পাল, স্টাফ রিপোর্টার 



















