০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
চালকদের মারধর ও চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ সুপারকে পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার কঠোর নির্দেশ।

মানিকগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধে কঠোর নির্দেশ মন্ত্রীর

মানিকগঞ্জে সাধারণ রিকশা ও সিএনজিচালকদের ওপর ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি, মারধর এবং অহেতুক হয়রানি বন্ধে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

১৬ আগস্ট (রবিবার) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

সভায় উপস্থিত মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারওয়ার আলমকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের দ্বারা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যেন কোনোভাবেই নির্যাতিত না হয়। রিকশা ও সিএনজিচালকদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা আদায় এবং মারধরের যেসব অভিযোগ উঠেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরনের হয়রানি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার নামে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেওয়া যাবে না। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে অনতিবিলম্বে এই অনিয়ম ও চাঁদাবাজি বন্ধ করে চালকদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার তাগিদ দেন।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম জানান, সুনির্দিষ্ট কোনো ট্রাফিক সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা হয়রানির প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বদ্ধপরিকর।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হরিরামপুরে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ৪ জেলের ৭ দিনের কারাদণ্ড।

চালকদের মারধর ও চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশ সুপারকে পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতার কঠোর নির্দেশ।

মানিকগঞ্জে ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি ও হয়রানি বন্ধে কঠোর নির্দেশ মন্ত্রীর

Update Time : ০৪:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জে সাধারণ রিকশা ও সিএনজিচালকদের ওপর ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজি, মারধর এবং অহেতুক হয়রানি বন্ধে পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

১৬ আগস্ট (রবিবার) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এই নির্দেশনা দেন।

সভায় উপস্থিত মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ সারওয়ার আলমকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) এবং দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের দ্বারা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যেন কোনোভাবেই নির্যাতিত না হয়। রিকশা ও সিএনজিচালকদের কাছ থেকে অনৈতিকভাবে টাকা আদায় এবং মারধরের যেসব অভিযোগ উঠেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ধরনের হয়রানি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখার নামে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেওয়া যাবে না। তিনি পুলিশ প্রশাসনকে অনতিবিলম্বে এই অনিয়ম ও চাঁদাবাজি বন্ধ করে চালকদের জন্য স্বস্তিদায়ক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার তাগিদ দেন।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম জানান, সুনির্দিষ্ট কোনো ট্রাফিক সদস্যের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা হয়রানির প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ বদ্ধপরিকর।