১২:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদ্মার তীব্র স্রোতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা

তীব্র ভাঙনে দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ-শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা শতাধিক পরিবার।

পদ্মার নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে ফলে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে দূর্গম চরাঞ্চলে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা পদ্মারপাড়ের শতাধিক পরিবার।

উপজেলা লেছড়াগঞ্জের জয়পুর,কবিরপুর ও বিশরাশি গ্রামে বিগত ১০- ১২ দিনের মধ্যে প্রায় শতাধিক পরিবার শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়রা বলেন,প্রায় ২ মাস আগে ভাঙন শুরু হলেও বিগত ১০-১২ দিনে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ভাঙন আতঙ্কে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয় স্থলে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি,ভাঙন রোধে ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে দ্রুত উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন,তীব্র ভাঙণে এ অঞ্চলের ফসলি জমি ও মানুষের ভিটামাটি প্রতিবছরই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় তীব্র ভাঙনে অনেকেই ভিটামাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করেছি।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ -২ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান (শান্ত) মুঠোফোনে বলেন, ইতিমধ্যে দূর্গম চরাঞ্চলের ভাঙ্গণকবলিত এলাকার জন্য আপদকালীন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আমরা চেষ্টা করছি পদ্মার ভাঙন ঠেকাতে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার মুঠোফোনে বলেন,ভাঙণকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন,দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

স্থানীয়দের জোরদার দাবি,পদ্মা ভাঙন রোধে শুধু জিওব্যাগ নয়! স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। তা না হলে,মানচিত্র থেকে চরাঞ্চল হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

তীব্র ভাঙনে দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ-শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা শতাধিক পরিবার।

পদ্মার তীব্র স্রোতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা

তীব্র ভাঙনে দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ-শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা শতাধিক পরিবার।

Update Time : ০২:৩০:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পদ্মার নদীর পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে ফলে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে দূর্গম চরাঞ্চলে তীব্র ভাঙনে দিশেহারা পদ্মারপাড়ের শতাধিক পরিবার।

উপজেলা লেছড়াগঞ্জের জয়পুর,কবিরপুর ও বিশরাশি গ্রামে বিগত ১০- ১২ দিনের মধ্যে প্রায় শতাধিক পরিবার শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে পড়েছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়রা বলেন,প্রায় ২ মাস আগে ভাঙন শুরু হলেও বিগত ১০-১২ দিনে পানি বৃদ্ধি ও তীব্র স্রোতে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ভাঙন আতঙ্কে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয় স্থলে ঘরবাড়ি সরিয়ে নিচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবি,ভাঙন রোধে ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে দ্রুত উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন,তীব্র ভাঙণে এ অঞ্চলের ফসলি জমি ও মানুষের ভিটামাটি প্রতিবছরই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকায় তীব্র ভাঙনে অনেকেই ভিটামাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করেছি।

এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ -২ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান (শান্ত) মুঠোফোনে বলেন, ইতিমধ্যে দূর্গম চরাঞ্চলের ভাঙ্গণকবলিত এলাকার জন্য আপদকালীন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আমরা চেষ্টা করছি পদ্মার ভাঙন ঠেকাতে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তার মুঠোফোনে বলেন,ভাঙণকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান মুঠোফোনে বলেন,দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

স্থানীয়দের জোরদার দাবি,পদ্মা ভাঙন রোধে শুধু জিওব্যাগ নয়! স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। তা না হলে,মানচিত্র থেকে চরাঞ্চল হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।