০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জে খেলাঘর আসর জেলা শাখার উদ্যোগে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা

খেলাঘরের বর্ধিত সভা: আজকের খেলাঘরেই গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ

“আজকের খেলাঘর, আগামী দিনের বাংলাদেশ”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২২ আগস্ট সকালে এক প্রাণবন্ত বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় উদীচী জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় খেলাঘরের লক্ষ্য, আদর্শ, প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে উচ্ছ্বাসপূর্ণ আলোচনা হয়।

​সভায় সভাপতিত্ব করেন খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল হালিম মাস্টার।

​প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের কার্যকরী পরিষদের সদস্য এডভোকেট আফরোজাফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ। বক্তব্য রাখেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কাদের চৌধুরী, অধ্যক্ষ আবুল ইসলাম শিকদার, আরশেদ আলী মাস্টার, উষা রানী মন্ডল এবং উদীচীর প্রাক্তন সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মামুনসহ বিশিষ্টজনেরা।

​এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন খেলাঘর আসরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংগঠক, সংস্কৃতিকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা আলোচনায় অংশ নেন।

​অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পংকজ পাল।

​বক্তারা বলেন, খেলাঘর কেবল শিশু-কিশোরদের একটি সংগঠন নয়, এটি নির্মল আনন্দ, মানবিকতা, বিজ্ঞানমনস্কতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সৃজনশীলতার এক দীর্ঘ সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার নাম। শিশুর হাতে বই, মনে স্বপ্ন এবং চোখে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জাগিয়ে তোলাই খেলাঘরের অন্যতম লক্ষ্য।

​তাঁরা আরও বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও নানা সামাজিক চ্যালেঞ্জের এই সময়ে শিশু-কিশোরদের সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য খেলাঘরের মতো সংগঠনের প্রয়োজন আরও বেড়েছে। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন কর্মসূচি গ্রহণ, সংগঠনকে আরও গতিশীল করা এবং শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

​আলোচনায় উঠে আসে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার নানা দিক। সাংস্কৃতিক আয়োজন, পাঠচক্র, বিজ্ঞানচর্চা, সাহিত্যচর্চা, খেলাধুলা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মকে আলোকিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।

​সভাটি যেন কেবল একটি সাংগঠনিক আয়োজন ছিল না, ছিল আগামী দিনের স্বপ্নকে আরও একটু কাছে টেনে নেওয়ার প্রয়াস। কথায় কথায় উঠে এসেছে শিশুদের হাসিমুখ, বইয়ের গন্ধ, সংস্কৃতির আলো আর একটি মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন।

​আজকের শিশুই আগামী দিনের বাংলাদেশ। আর সেই শিশুর হাত ধরেই এগিয়ে যেতে চায় খেলাঘর।

​সেই অঙ্গীকারেই যেন আবারও উচ্চারিত হলো—

​“আজকের খেলাঘর, আগামী দিনের বাংলাদেশ”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

তীব্র ভাঙনে দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ-শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা শতাধিক পরিবার।

মানিকগঞ্জে খেলাঘর আসর জেলা শাখার উদ্যোগে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা

খেলাঘরের বর্ধিত সভা: আজকের খেলাঘরেই গড়ে উঠবে আগামী দিনের বাংলাদেশ

Update Time : ০২:১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

“আজকের খেলাঘর, আগামী দিনের বাংলাদেশ”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২২ আগস্ট সকালে এক প্রাণবন্ত বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১০টায় উদীচী জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এ সভায় খেলাঘরের লক্ষ্য, আদর্শ, প্রয়োজনীয়তা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে উচ্ছ্বাসপূর্ণ আলোচনা হয়।

​সভায় সভাপতিত্ব করেন খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আব্দুল হালিম মাস্টার।

​প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের কার্যকরী পরিষদের সদস্য এডভোকেট আফরোজাফারহানা আহমেদ অরেঞ্জ। বক্তব্য রাখেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় আসরের কার্যনির্বাহী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার কাদের চৌধুরী, অধ্যক্ষ আবুল ইসলাম শিকদার, আরশেদ আলী মাস্টার, উষা রানী মন্ডল এবং উদীচীর প্রাক্তন সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মামুনসহ বিশিষ্টজনেরা।

​এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন খেলাঘর আসরের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সংগঠক, সংস্কৃতিকর্মী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা আলোচনায় অংশ নেন।

​অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খেলাঘর আসর মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক পংকজ পাল।

​বক্তারা বলেন, খেলাঘর কেবল শিশু-কিশোরদের একটি সংগঠন নয়, এটি নির্মল আনন্দ, মানবিকতা, বিজ্ঞানমনস্কতা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সৃজনশীলতার এক দীর্ঘ সাংস্কৃতিক অভিযাত্রার নাম। শিশুর হাতে বই, মনে স্বপ্ন এবং চোখে আগামীর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় জাগিয়ে তোলাই খেলাঘরের অন্যতম লক্ষ্য।

​তাঁরা আরও বলেন, প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন ও নানা সামাজিক চ্যালেঞ্জের এই সময়ে শিশু-কিশোরদের সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশের জন্য খেলাঘরের মতো সংগঠনের প্রয়োজন আরও বেড়েছে। তাই সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন কর্মসূচি গ্রহণ, সংগঠনকে আরও গতিশীল করা এবং শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

​আলোচনায় উঠে আসে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার নানা দিক। সাংস্কৃতিক আয়োজন, পাঠচক্র, বিজ্ঞানচর্চা, সাহিত্যচর্চা, খেলাধুলা ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মকে আলোকিত নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন বক্তারা।

​সভাটি যেন কেবল একটি সাংগঠনিক আয়োজন ছিল না, ছিল আগামী দিনের স্বপ্নকে আরও একটু কাছে টেনে নেওয়ার প্রয়াস। কথায় কথায় উঠে এসেছে শিশুদের হাসিমুখ, বইয়ের গন্ধ, সংস্কৃতির আলো আর একটি মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন।

​আজকের শিশুই আগামী দিনের বাংলাদেশ। আর সেই শিশুর হাত ধরেই এগিয়ে যেতে চায় খেলাঘর।

​সেই অঙ্গীকারেই যেন আবারও উচ্চারিত হলো—

​“আজকের খেলাঘর, আগামী দিনের বাংলাদেশ”