০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
​চলতি বর্ষার চ্যালেঞ্জ ও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে মানিকগঞ্জের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বাস্তবায়িত মেগা প্রকল্পের কাজ গুণগত মান বজায় রেখে এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ।

যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে মানিকগঞ্জে, ৪৫০ কোটি টাকার গ্রামীণ মেগা প্রকল্পে জোর তদারকি

মানিকগঞ্জ জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে ৪৫০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের কাজের গুণগত মান ধরে রাখতে এবং নির্ধারিত সময়ে তা শেষ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলাতেই এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই মেগা প্রকল্পের অধীনে জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকার ২৩৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকাকরণ, প্রায় ২৫ কিলোমিটার সড়ক মেরামত এবং ১৯টি নতুন ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির কাজ সম্পূর্ণ হলে জেলা সদরের সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষিপণ্য পরিবহনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

এর আগে গত ১৯ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এই মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেন।

সভায় মন্ত্রী কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সরকারের এই বিশাল বরাদ্দের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার হতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জনগণকে এই উন্নয়নের সুফল দিতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা ধীরগতি বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেন।মানিকগঞ্জ জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রীর নির্দেশনার পর মাঠপর্যায়ে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি চলছে। ২০২৯ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও জনভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ব্রিজগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে মাঠপর্যায়ে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

তীব্র ভাঙনে দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ-শেষ সম্বল ভিটামাটি হারিয়ে দিশেহারা শতাধিক পরিবার।

​চলতি বর্ষার চ্যালেঞ্জ ও নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে মানিকগঞ্জের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বাস্তবায়িত মেগা প্রকল্পের কাজ গুণগত মান বজায় রেখে এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ।

যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে মানিকগঞ্জে, ৪৫০ কোটি টাকার গ্রামীণ মেগা প্রকল্পে জোর তদারকি

Update Time : ০৬:৫৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মানিকগঞ্জ জেলার গ্রামীণ যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে ৪৫০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজ পুরোদমে এগিয়ে চলছে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের কাজের গুণগত মান ধরে রাখতে এবং নির্ধারিত সময়ে তা শেষ করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর তদারকি শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) মানিকগঞ্জের ৭টি উপজেলাতেই এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই মেগা প্রকল্পের অধীনে জেলার বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকার ২৩৩ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক পাকাকরণ, প্রায় ২৫ কিলোমিটার সড়ক মেরামত এবং ১৯টি নতুন ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটির কাজ সম্পূর্ণ হলে জেলা সদরের সাথে প্রত্যন্ত অঞ্চলের সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতি ও কৃষিপণ্য পরিবহনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

এর আগে গত ১৯ জুলাই মানিকগঞ্জ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এই মেগা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর মনিটরিংয়ের নির্দেশ দেন।

সভায় মন্ত্রী কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সরকারের এই বিশাল বরাদ্দের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার হতে হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জনগণকে এই উন্নয়নের সুফল দিতে হবে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা ধীরগতি বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি স্পষ্ট সতর্কবার্তা দেন।মানিকগঞ্জ জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মন্ত্রীর নির্দেশনার পর মাঠপর্যায়ে মনিটরিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমের চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও কাজের গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি চলছে। ২০২৯ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও জনভোগান্তি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও ব্রিজগুলোর কাজ দ্রুত শেষ করতে মাঠপর্যায়ে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।