০৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

মানিকগঞ্জের ঘিওরে নালী ও বানিয়াজুরির অংশিক ৫ কি.মি দৈর্ঘ্যর একটি খাল খনন কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক বাস্তবায়িত “বাংলাদেশের সেচের পানি ব্যবস্থাপনা এবং ওয়েব বেইজ কৃষি তথ্য ব্যবস্থার উপর পাইলট গবেষণা প্রকল্প” একটি গবেষণাধর্মী প্রকল্প। প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও জার্মান সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় ।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও জার্মানির TH-Koeln সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত ও”গবেষণা সহযোগিতায় পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে এমন একটি রিয়েল টাইম কেন্দ্রীয় তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হচ্ছে যা সবার মোবাইল এ্যাপস এর মাধ্যমে কৃষক এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি মন্ত্রণালয়ের সকল স্তরের কর্মকর্তাগণ কৃষি, সেচ,সার, মাটির গুনাগুন, আবহাওয়া, ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ পানির অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারবে। এ সকল তথ্য জানার মাধ্যমে কৃষক সঠিক দক্ষতা ও কারিগরি বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

উন্নত বীজ ব্যবহার করে কোন মাটিতে কখন কি ধরণের ফসল ফলাতে হবে তাতে কি পরিমান সার ও সেচ প্রদান করতে হবে সে সম্পর্কে আগাম তথ্য জানতে পারবে। বিএডিসির সেচ উইংয়ের কর্মকর্তা এই তথ্য ভান্ডার হতে ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ পানির রিয়েল টাইম তথ্য প্রাপ্তির মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমিয়ে ভূপরিস্থ পানির ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক সেচ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

গবেষণার একটি অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জের ঘিওরে নালী ও বানিয়াজুরির অংশিক ৫ কি.মি দৈর্ঘ্যর একটি খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। খালটি ড্রইং ডিজাইন অনুযায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সুষ্ঠুভাবে খনন কার্যক্রম ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। এতে খালটিতে পানির উৎস হলো যমুনা নদী হতে পানি ইছামতি হয়ে পদ্মা নদীতে পতিত হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দরা অনেকেই বলেন, খালটি দীর্ঘদিন ধরে খনন না করায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। এই খাল খননের ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না। খাল খনন ও এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করার এই উদ্যোগের ফলে এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্হানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ফলে স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ বিএডিসির দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলী মোঃ তিতাস মুঠোফোনে বলেন,খালটি দীর্ঘদিন ধরে খনন না করায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো।এই খাল খননের ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না বলে আমরা আশাবাদী।
তিনি আরো বলেন, এই খালের পানি ব্যবহার করে প্রায় ১০০০ হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে এবং ৮০০ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

হরিরামপুরে সুতালড়ী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সমর্থন প্রার্থী- মোঃ হান্নান মোল্লা।

মানিকগঞ্জের ঘিওরে নালী ও বানিয়াজুরির অংশিক ৫ কি.মি দৈর্ঘ্যর একটি খাল খনন কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন।

Update Time : ০৪:২১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক বাস্তবায়িত “বাংলাদেশের সেচের পানি ব্যবস্থাপনা এবং ওয়েব বেইজ কৃষি তথ্য ব্যবস্থার উপর পাইলট গবেষণা প্রকল্প” একটি গবেষণাধর্মী প্রকল্প। প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও জার্মান সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় ।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও জার্মানির TH-Koeln সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত ও”গবেষণা সহযোগিতায় পরিচালিত এই প্রকল্পের মাধ্যমে এমন একটি রিয়েল টাইম কেন্দ্রীয় তথ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হচ্ছে যা সবার মোবাইল এ্যাপস এর মাধ্যমে কৃষক এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি মন্ত্রণালয়ের সকল স্তরের কর্মকর্তাগণ কৃষি, সেচ,সার, মাটির গুনাগুন, আবহাওয়া, ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ পানির অবস্থা সম্পর্কে সরাসরি জানতে পারবে। এ সকল তথ্য জানার মাধ্যমে কৃষক সঠিক দক্ষতা ও কারিগরি বিষয়ে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।”

উন্নত বীজ ব্যবহার করে কোন মাটিতে কখন কি ধরণের ফসল ফলাতে হবে তাতে কি পরিমান সার ও সেচ প্রদান করতে হবে সে সম্পর্কে আগাম তথ্য জানতে পারবে। বিএডিসির সেচ উইংয়ের কর্মকর্তা এই তথ্য ভান্ডার হতে ভূগর্ভস্থ ও ভূপরিস্থ পানির রিয়েল টাইম তথ্য প্রাপ্তির মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং ভূগর্ভস্থ পানির চাপ কমিয়ে ভূপরিস্থ পানির ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক সেচ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবে।

গবেষণার একটি অংশ হিসেবে মানিকগঞ্জের ঘিওরে নালী ও বানিয়াজুরির অংশিক ৫ কি.মি দৈর্ঘ্যর একটি খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। খালটি ড্রইং ডিজাইন অনুযায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের চাহিদার প্রেক্ষিতে সুষ্ঠুভাবে খনন কার্যক্রম ইতিমধ্যে সম্পূর্ণ হয়েছে। এতে খালটিতে পানির উৎস হলো যমুনা নদী হতে পানি ইছামতি হয়ে পদ্মা নদীতে পতিত হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দরা অনেকেই বলেন, খালটি দীর্ঘদিন ধরে খনন না করায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো। এই খাল খননের ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না। খাল খনন ও এলাকার জলাবদ্ধতা দূর করার এই উদ্যোগের ফলে এলাকায় অনেক মানুষের কর্মসংস্হানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে ফলে স্থানীয় জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ বিএডিসির দ্বায়িত্ব প্রাপ্ত প্রকৌশলী মোঃ তিতাস মুঠোফোনে বলেন,খালটি দীর্ঘদিন ধরে খনন না করায় বর্ষাকালে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হতো।এই খাল খননের ফলে এখন আর জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না বলে আমরা আশাবাদী।
তিনি আরো বলেন, এই খালের পানি ব্যবহার করে প্রায় ১০০০ হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন সম্ভব হবে এবং ৮০০ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন।