জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, কর্ম, এবং অনন্য সাহিত্য সৃষ্টি নিয়ে মানিকগঞ্জে এক বিশেষ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও নজরুল ইনস্টিটিউটের যৌথ উদ্যোগে জেলা শহরের একটি মিলনায়তনে এই উৎসবমুখর সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা কবির বৈচিত্র্যময় সাহিত্যচর্চা এবং বাঙালির জাতীয় জীবনে ও স্বাধীনতা সংগ্রামে তার কালজয়ী অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক লতিফুল ইসলাম শিবলী। তিনি তার দীর্ঘ ও তথ্যবহুল বক্তব্যে বলেন, “জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা ও দ্রোহের প্রতীক। শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে কবির কবিতা ও গান আমাদের চিরকাল অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। বর্তমান তরুণ প্রজন্মের নৈতিক অবক্ষয় রোধে এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে নজরুলের সাম্যবাদী সাহিত্যকে আরও বেশি ছড়িয়ে দিতে হবে।” তিনি তার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন যে, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অত্যন্ত দূরদর্শিতার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে কবিকে সমাহিত করার ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছিলেন, যা নজরুলকে এদেশের মাটির সাথে চিরতরে মিশিয়ে দিয়েছে।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল-প্রমিলা পরিষদের সভাপতি আব্দুল মোনাফ খান এবং জাসাস মানিকগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব শামীম বিশ্বাসসহ স্থানীয় সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও সচেতন সুধীজন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানিকগঞ্জের সাথে নজরুল এবং তার স্ত্রী প্রমিলা দেবীর অনেক ঐতিহাসিক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। বক্তারা এই ঐতিহাসিক স্থানগুলো সরকারি উদ্যোগে দ্রুত সংস্কার ও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার ওপর বিশেষ জোর দেন। একই সাথে নতুন প্রজন্মের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাম্যবাদী আদর্শ সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার জোর আহ্বান জানান তারা।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল-প্রমিলা পরিষদের সভাপতি আব্দুল মোনাফ খান এবং জাসাস মানিকগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব শামীম বিশ্বাসসহ স্থানীয় সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা ও সচেতন সুধীজন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানিকগঞ্জের সাথে নজরুল এবং তার স্ত্রী প্রমিলা দেবীর অনেক ঐতিহাসিক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেই স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো আজ হারিয়ে যেতে বসেছে। বক্তারা এই ঐতিহাসিক স্থানগুলো সরকারি উদ্যোগে দ্রুত সংস্কার ও যথাযথভাবে সংরক্ষণ করার ওপর বিশেষ জোর দেন। একই সাথে নতুন প্রজন্মের স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাম্যবাদী আদর্শ সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার জোর আহ্বান জানান তারা।
পিযুষ পাল, স্টাফ রিপোর্টার 
















