
নাজির উদ্দিন আহমেদ, মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে প্রায় ১২ কোটি টাকার কেনাকাটার টেন্ডারে এমন সব অযৌক্তিক শর্ত রাখা হয়েছে, যা জেলা পর্যায়ের ঠিকাদারদের জন্য কার্যত অতিক্রম্য। অভিযোগ উঠেছে—এতে বাদ পড়ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা, সুবিধা পাচ্ছেন রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠ একটি সিন্ডিকেট।
শর্ত অনুযায়ী, কম্পিউটার সামগ্রীর জন্য BASIS সদস্যপদ, গজ–কটনের জন্য BMIHEDMA সনদ এবং ঢাকা চেম্বার অব কমার্সের অনুমোদন থাকতে হবে। তাছাড়া অংশ নিতে চাইলে ঠিকাদারদের কোটি টাকার বেশি অর্থ ব্যাংকে ব্লক করে রাখতে হবে। স্থানীয়রা বলছেন, এসব শর্ত জেলা পর্যায়ের টেন্ডারের সঙ্গে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
এমনকি শর্তের বিরুদ্ধে লিখিত আপত্তি জানানো থেকেও বিরত রাখতে ঠিকাদারদের দিয়ে অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।
অতীতে তত্ত্বাবধায়ক ডা. বাহাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছিল। এবার বদলির আগে কেন হঠাৎ কঠিন শর্ত জুড়ে দেওয়া হলো—সে প্রশ্নও উঠেছে।
সম্প্রতি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে একই ধরনের টেন্ডারে কোনো জটিল শর্ত ছিল না। ফলে প্রশ্ন রয়ে গেছে, মানিকগঞ্জে কার স্বার্থে এই টেন্ডার সাজানো হলো?
ডা. বাহাউদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “সরকারি নিয়ম মেনেই ই-জিপি টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে।”
Reporter Name 















