০৮:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার রাষ্ট্র গড়তে চাই” — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  বলেছেন, দল-মত, ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে বাংলাদেশ সবার। তিনি বলেন, “যারা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন, তাদের যেমন এই রাষ্ট্রের ওপর অধিকার আছে; তেমনি যারা ধানের শীষে ভোট দেননি কিংবা কোনো প্রতীকেই ভোট দেননি, তাদেরও সমান অধিকার রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। ভোটের রাজনীতি শেষ হয়ে গেলে দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়—এটি দেশের প্রতিটি মানুষের। তাই বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং ঐক্য ও সহাবস্থানের রাজনীতিই দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারেক রহমান বলেন, “আমি চাই দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তুলি।” তিনি দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির বার্তা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এমন আহ্বান দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার রাষ্ট্র গড়তে চাই” — প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ০৩:১৯:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  বলেছেন, দল-মত, ধর্ম, বর্ণ বা রাজনৈতিক অবস্থান নির্বিশেষে বাংলাদেশ সবার। তিনি বলেন, “যারা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়েছেন, তাদের যেমন এই রাষ্ট্রের ওপর অধিকার আছে; তেমনি যারা ধানের শীষে ভোট দেননি কিংবা কোনো প্রতীকেই ভোট দেননি, তাদেরও সমান অধিকার রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। ভোটের রাজনীতি শেষ হয়ে গেলে দেশের উন্নয়ন ও কল্যাণের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্র কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর নয়—এটি দেশের প্রতিটি মানুষের। তাই বিভাজনের রাজনীতি নয়, বরং ঐক্য ও সহাবস্থানের রাজনীতিই দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তারেক রহমান বলেন, “আমি চাই দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তুলি।” তিনি দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির বার্তা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার এমন আহ্বান দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদার করতে সহায়ক হতে পারে।