০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নান্নার ইউনিয়নে সচিবের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ১৬ নং নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (সকাল ১১টা) সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে সচিবকে অফিসে পাওয়া যায়নি। এ সময় সেবা নিতে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, সচিবকে প্রায়ই অফিসে পাওয়া যায় না। ফলে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা পেতে তাদের বারবার ইউনিয়ন পরিষদে আসতে হচ্ছে।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টার মধ্যে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। অথচ এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে একজন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিয়মিত অনুপস্থিত থাকলে তা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

 সচিব শারমিন আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। 

তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু মূসার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, সচিবকে নিয়মিত অফিস করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তার জানা মতে সচিব কোনো ছুটিতে নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সচিবের অনুপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে ভোগান্তির পাশাপাশি সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে মাদক ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত ।

নান্নার ইউনিয়নে সচিবের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ

Update Time : ০৮:৩৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

ঢাকার ধামরাই উপজেলার ১৬ নং নান্নার ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শারমিন আক্তারের বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলা ও নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার (সকাল ১১টা) সরেজমিনে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে সচিবকে অফিসে পাওয়া যায়নি। এ সময় সেবা নিতে আসা কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, সচিবকে প্রায়ই অফিসে পাওয়া যায় না। ফলে জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদ, বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্রসহ গুরুত্বপূর্ণ সেবা পেতে তাদের বারবার ইউনিয়ন পরিষদে আসতে হচ্ছে।

সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টার মধ্যে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা রয়েছে। অথচ এ নির্দেশনা উপেক্ষা করে একজন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিয়মিত অনুপস্থিত থাকলে তা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী—এমনটাই মনে করছেন সচেতন মহল।

এ পরিস্থিতিতে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

 সচিব শারমিন আক্তারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি ছুটিতে রয়েছেন। 

তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু মূসার সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, সচিবকে নিয়মিত অফিস করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ছুটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, তার জানা মতে সচিব কোনো ছুটিতে নেই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সচিবের অনুপস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সময়মতো পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে ভোগান্তির পাশাপাশি সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হচ্ছে।